হনুমান চালিসা ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ধর্মীয় গ্রন্থগুলির মধ্যে একটি। হিন্দু ধর্মে এর খুব গভীর মর্যাদা রয়েছে এবং এটিকে ভক্তি, শক্তি ও ইতিবাচক শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। এতে মোট ৪০টি ছন্দ রয়েছে, যে কারণে এর নাম চালিসা হয়েছে।
মূলত সংস্কৃত ভাষায় রচিত এই গ্রন্থ আজ সমগ্র ভারত এবং বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ভক্তদের দ্বারা বিভিন্ন ভাষায় পড়া হয়। বাংলা ভাষায় হনুমান চালিসার নিজস্ব আকর্ষণ রয়েছে, যা বাঙালি ভক্তদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
হনুমান চালিসার মূল উদ্দেশ্য হলো ভগবান হনুমানের স্তুতি করা, তাঁর কাছে বল, বুদ্ধি, জ্ঞান এবং জীবনের সব সংকট থেকে মুক্তি চাওয়া। এটি শুধু আধ্যাত্মিক পথ দেখায় না, মানসিক শান্তি ও সাহসও বাড়িয়ে দেয়।

বাংলা গীতিকবিতা

জয় হনুমান জ্ঞান গুন সাগর।
জয় কপিস তিহু লোক উজাগর ॥ ১ ॥


রাম দূত অতুলিত বল ধামা।
অঞ্জনী-পুত্র পবন সুত নামা ॥ ২ ॥


মহাবীর বিক্রম বজরঙ্গী।
কুমতি নিবার সুমতি কে সঙ্গি ॥ ৩ ॥


কাঞ্চন বরন বিরাজ সুবেষা।
কানন কুণ্ডল কুঞ্চিত কেশা ॥ ৪ ॥


হাথবজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ।
কান্ধে মুঞ্জ জানিউ সাজে ॥ ৫ ॥


শঙ্কর সুবন কেশরী নন্দন।
তেজ প্রতাপ মহা জগ বন্দন ॥ ৬ ॥


বিদ্যাবান গুণী অতি চাতুর ।
রাম কাজ করিবে কো আতুর ॥ ৭ ॥


প্রভু চরিত্র সুনিবে কো রসিয়া ।
রামলখন সীতা মন বসিয়া ॥ ৮॥


সূক্ষ্ম রূপধরি সিয়াহি দিখাবা ।
বিকট রূপধরি লংক জরাবা ॥ ৯ ॥


ভীম রূপধরি অসুর সংহারে ।
রামচন্দ্র কে কাজ সংবারে ॥ ১০ ॥


লায়ে সঞ্জীবন লখন জিয়ায়ে ।
শ্রী রঘুবীর হরষি উর লায়ে ॥ ১১ ॥


রঘুপতি কীন্হী বহুত বদায়ী ।
তুম মম প্রিয ভরত সম ভায়ি ॥ ১২ ॥


সহস্র বদন তুম্হরো য়শগাবৈ ।
অস কহি শ্রীপতি কণ্ঠ লগাবৈ ॥ ১৩ ॥


সনকাদিক ব্রহ্মাদি মুনীশা ।
নারদ শারদ সহিত অহীশা ॥ ১৪ ॥


য়ম কুবের দিগপাল জহাং তে ।
কবি কোবিদ কহি সকে কহাং তে ॥ ১৫ ॥


তুম উপকার সুগ্রীবহি কীন্হা ।
রাম মিলায় রাজপদ দীন্হা ॥ ১৬ ॥


তুম্হরো মন্ত্র বিভীষণ মানা ।
লংকেশ্বর ভয়ে সব জগ জানা ॥ ১৭ ॥


য়ুগ সহস্র য়োজন পর ভানূ ।
লীল্যো তাহি মধুর ফল জানূ ॥ ১৮ ॥


প্রভু মুদ্রিকা মেলি মুখ মাহী ।
জলধি লংঘি গয়ে আচার্য নাহী ॥ ১৯ ॥


দুর্গম কাজ জগত কে জেতে ।
সুগম অনুগ্রহ তুমহ্রে তেতে ॥ ২০ ॥


রাম দুয়ারে তুম রখবারে ।
হোত ন আজ্ঞা বিনু পৈসারে ॥ ২১ ॥


সব সুখ লহৈ তুম্হারী শরণা ।
তুম রক্ষক কাহূ কো ডরনা ॥ ২২ ॥


আপন তেজ সম্হারো আপৈ ।
তীনোং লোক হাংক তে কাংপৈ ॥ ২৩ ॥


ভূত পিশাচ নিকট নহি আবৈ ।
মহাবীর জব নাম সুনাবৈ ॥ ২৪ ॥


নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা ।
জপত নিরন্তর হনুমত বীরা ॥ ২৫ ॥


সংকট সে হনুমান ছুড়াবৈ ।
মন ক্রম বচন ধ্যান জো লাবৈ ॥ ২৬ ॥


সব পর রাম তপস্বী রাজা ।
তিনকে কাজ সকল তুম সাজা ॥ ২৭ ॥


ঔর মনোরধ জো কোয়ি লাবৈ ।
সহি অমিত জীবন ফল পাবৈ ॥ ২৮ ॥


চারো যুগ প্রতাপ তুম্হারা ।
হৈ প্রসিদ্ধ জগত উজিয়ারা ॥ ২৯ ॥


সাধু সন্ত কে তুম রখবারে ।
অসুর নিকংদন রাম দুলারে ॥ ৩০ ॥


অষ্ঠসিদ্ধি নব নিধি কে দাতা ।
অস বর দীন্ জানকী মাতা ॥ ৩১ ॥


রাম রসায়ন তুম্হারে পাসা ।
সদা রহো রঘুপতি কে দাসা ॥ ৩২ ॥


তুম্হরে ভজন রামকো পাবৈ ।
জনম জনম কে দুখ বিসরাবৈ ॥ ৩৩ ॥


অন্ত কাল রঘুপতি পুরযায়ী ।
জহান জনম হরিভক্ত কহায়ী ॥ ৩৪ ॥


ঔর দেবতা চিত্ত ন ধরায়ে ।
হনুমত সেযি সর্ব সুখ করায়ে ॥ ৩৫ ॥


সংকট কটৈ মিটৈ সব পীরা ।
জো সুমিরৈ হনুমত বল বীরা ॥ ৩৬ ॥


জয় জয় জয় হনুমান গোসায়ী ।
কৃপা করহু গুরুদেব কী নায়ী ॥ ৩৭ ॥


যো শত বার পাঠ কর কোয়ী ।
ছূটহি বন্দি মহা সুখ হোয়ী ॥ ৩৮ ॥


জো য়াহ পড়ে হনুমান চালীসা ।
হোয়ে সিদ্ধি সাখী গৌরীশা ॥ ৩৯ ॥


তুলসীদাস সদা হরি চেরা ।
কীজৈ নাথ হৃদয় মহ ডেরা ॥ 40 ॥

প্রতিদিন হনুমান চালিসা পাঠ করা উচিত কেন?

অনেক ভক্ত বিশ্বাস করেন যে প্রতিদিন হনুমান চালিসা পাঠ করলে জীবনের কষ্ট লাঘব হয়। এটি মনকে শান্ত করে এবং ভক্তি বৃদ্ধি করে।

মঙ্গলবার এবং শনিবার হনুমান চালিসা পাঠ করা বিশেষভাবে শুভ বলে মনে করা হয়।

Hanuman chalisa

hanuman chalisa in all languages

বাংলা ভাষায় হনুমান চালিসার সম্পূর্ণ লিরিক্স, ভগবান হনুমানের ভক্তিমূলক স্তোত্র, ধর্মীয় পাঠ ও আধ্যাত্মিক উপাসনার জন্য উপযুক্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *